সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জিয়ারুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারের পর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
পিবিআই সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই কিশোরী (ছদ্মনাম রুবিনা) গরুর জন্য ঘাস কাটতে মাঠে যায়। এ সময় কলারোয়া থানার হেলাতলা গ্রামের একটি কুল-বরই বাগানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কিশোরীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত জিয়ারুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন।
এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর কলারোয়া থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় পরবর্তী সময়ে সাতক্ষীরা পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে।
পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে যশোরের ঝিকরগাছা থানার শ্রীরামকাঠী গ্রাম থেকে জিয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল।
পিবিআইয়ের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়ারুল ইসলাম ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান রিমু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পিবিআই সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই কিশোরী (ছদ্মনাম রুবিনা) গরুর জন্য ঘাস কাটতে মাঠে যায়। এ সময় কলারোয়া থানার হেলাতলা গ্রামের একটি কুল-বরই বাগানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কিশোরীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত জিয়ারুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন।
এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর কলারোয়া থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় পরবর্তী সময়ে সাতক্ষীরা পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে।
পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে যশোরের ঝিকরগাছা থানার শ্রীরামকাঠী গ্রাম থেকে জিয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল।
পিবিআইয়ের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়ারুল ইসলাম ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান রিমু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিনিধি :